বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
তাওহীদ
; পরিচিতি, গুরুত্ব-তাৎপর্য, ফযীলত ও প্রয়োজনীয়তাঃ
আব্দুস সালাম হুসাইন আলী
০১. পরিচয়ঃ
تَوْحِيْد (তাওহীদ) শব্দটি আরবি, তাওহীদের শাব্দিক অর্থঃ একত্ববাদ। পারিভার্ষিক অর্থঃ আল্লাহ তা’য়ালাকে সত্তাগত ও গুণগত দিক দিয়ে একক জেনে তাঁরই ঈবাদাত করা।
০২. তাওহীদের
প্রকারভেদ; তাওহীদ
তিন প্রকার। যথা :
২/১. توحيد الربوبية /
তাওহীদুর রুবুবিয়্যাহঃ উহা হচ্ছে- আল্লাহ্কে তাঁর
কর্ম সমূহে একক হিসেবে মেনে নেয়া। যেমন সৃষ্টি করা, রিযিক দেয়া, জীবন-মৃত্যু দান করা ইত্যাদি। নাবী কারীম (সা:)-এর আগমনের
পূর্বে কাফেরগণ তাওহীদের এই প্রকারের স্বীকৃতি দিয়েছিল।
আল্লাহ্ আল্লাহ তা’য়ালা বলেনঃ
﴿وَلَئِنْ
سَأَلْتَهُمْ مَنْ خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ لَيَقُولُنَّ اللَّهُ﴾
‘আপনি যদি তাদেরকে জিজ্ঞেস করেন, নভোমন্ডল ও ভূ-মন্ডল কে সৃষ্টি করেছে? তারা অবশ্যই বলবে, আল্লাহ্। বলুন, সকল প্রশংসাই আল্লাহর। বরং তাদের অধিকাংশই জ্ঞান
রাখে না।’ [সূরা লুকমান : ২৫]।
﴿الْحَمْدُ
لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ﴾
‘যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ্ তা'আলার জন্য যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা।’ [সূরা ফাতিহা : ০২]।
﴿اللَّهُ الَّذِي
خَلَقَكُمْ ثُمَّ رَزَقَكُمْ ثُمَّ يُمِيتُكُمْ ثُمَّ يُحْيِيكُمْ هَلْ مِنْ
شُرَكَائِكُمْ مَنْ يَفْعَلُ مِنْ ذَلِكُمْ مِنْ شَيْءٍ سُبْحَانَهُ وَتَعَالَى
عَمَّا يُشْرِكُونَ﴾
‘আল্লাহ্ই তোমাদের সৃষ্টি করেছেন, অত:পর রিযিক দিয়েছেন, এরপর তোমাদের মৃত্যু দেবেন, এরপর তোমাদের জীবিত করবেন। তোমাদের শরীকদের মধ্যে এমন
কেউ আছে কি, যে এসব কাজের মধ্যে কোন একটিও
করতে পারবে? তারা যাকে শরীক করে, আল্লাহ্ তা থেকে পবিত্র ও মহান।’ [সূরা রূম : ৪০]।
২/২. توحيد الألوهية /
তাওহীদুল উলুহিয়্যাহঃ উহা হচ্ছে- ঈবাদাতের ক্ষেত্রে
আল্লাহকে একক নির্ধারণ করা। যেমন : সালাত, নযর-মানত, দান-সদক্বাহ্
ইত্যাদি। যাবতীয় ঈবাদত এককভাবে আল্লাহর উদ্দেশ্যে করার জন্যই
সমস্ত নবী-রাসূলগণকে প্রেরণ করা হয়েছে, আসমানী কিতাব সমূহ নাযিল করা হয়েছে।
আল্লাহ্
আল্লাহ তা’য়ালা বলেনঃ
﴿وَاعْبُدُوا
اللَّهَ وَلا تُشْرِكُوا بِهِ شَيْئاً﴾
‘‘আর উপাসনা কর আল্লাহর, শরীক
করো না তাঁর সাথে অপর কাউকে’’। [সূরা নিসা : ৩৬]
﴿وَمَا
أَرْسَلْنَا مِنْ قَبْلِكَ مِنْ رَسُولٍ إِلاَّ نُوحِي إِلَيْهِ أَنَّهُ لا إِلَهَ
إِلاَّ أَنَا فَاعْبُدُونِ﴾
‘‘আপনার পূর্বে আমি যে রাসূলই প্রেরণ করেছি, তাকে এ আদেশই প্রেরণ করেছি যে, আমি ব্যতীত অন্য কোন উপাস্য নেই। সুতরাং আমারই এবাদত কর’’। [সূরা আম্বিয়া : ২৫]
﴿وَلَقَدْ
بَعَثْنَا فِي كُلِّ أُمَّةٍ رَسُولاً أَنْ اُعْبُدُوا اللَّهَ وَاجْتَنِبُوا
الطَّاغُوتَ﴾
‘‘আমি প্রত্যেক উম্মতের মধ্যেই রাসূল প্রেরণ
করেছি এই মর্মে যে, তোমরা আল্লাহর ইবাদত কর এবং
তাগুত থেকে নিরাপদ থাক’’। [সূরা
নাহল : ৩৬]।
২/৩. توحيد الأسماء والصفاة /
তাহীদুল আসমা ওয়াসসিফাতঃ উহা
হচ্ছে যে, সমস্ত সুন্দর-সুন্দর নাম
ও গুণাবলী আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল (সা:) আল্লাহর জন্য সাব্যস্ত করেছেন সেগুলোকে কোন
প্রকার পরিবর্তন, অস্বীকৃতি ও ধরণ-গঠন নির্ধারণ
ছাড়াই সাব্যস্ত করা ও মেনে নেয়া।
আল্লাহ্ আল্লাহ তা’য়ালা বলেনঃ
﴿وَلِلَّهِ
الأَسْمَاءُ الْحُسْنَى فَادْعُوهُ بِهَا﴾
‘‘আল্লাহর অনেক সুন্দর-সুন্দর নাম আছে, সেই নামের মাধ্যমে তোমরা তাকে ডাক।’ [সূরা আ’রাফ : ১৮০]
﴿اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ لَهُ
الْأَسْمَاءُ الْحُسْنَى﴾
‘‘আল্লাহ্ তিনি ব্যতীত কোন উপাস্য ইলাহ নেই। সব
সৌন্দর্যমন্ডিত নাম তাঁরই। [সূরা
ত্বহা : ০৮]
﴿قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ ◌ اللَّهُ الصَّمَدُ ◌ لَمْ يَلِدْ ◌ وَلَمْ يُولَدْ وَلَمْ ◌ يَكُنْ لَهُ كُفُوًا أَحَدٌ﴾
‘‘বলুন, তিনি আল্লাহ্, এক। আল্লাহ্ অমুখাপেক্ষী। তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কেউ তাকে জন্ম দেয়নি এবং তার সমতুল্য কেউ নেই’’। [সূরা ইখলাস : ০১ – ০৪]
০৩. তাওহীদের গুরুত্বঃ
মুসলিমদের জন্য আক্বাঈদ ও তাওহীদ বা একত্ববাদ খুবই
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, এই আক্বাঈদ ও তাওহীদের ঘোষণা
ছাড়া কেউ মুসলিম হতে পারে না। প্রাণ ছাড়া দেহ যেমন অকার্যকর, তেমনি বিশুদ্ধ আক্বীদা ছাড়া আমলও অকার্যকর। তাই ইহ
ও পরকালীন জীবনে মুক্তির জন্য সহীহ্ ও সঠিক আক্বীদা পোষণ করা আমাদের জীবনে সবচেয়ে
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। নিম্নে কুরআন ও সহীহ্ সূন্নাহর আলোকে আক্বাঈদ ও তাওহীদের গুরুত্ব
তুলে ধরা হলো। যথা:
৩/১. আল্লাহ্ রাব্বুল আ’লামীন নবী-রাসূলগণকে পাঠিয়েছেন তাঁর একত্ববাদের দিকে
আহ্বান করার জন্য। কুরআনের অধিকাংশ সূরায় তাওহীদের প্রতি গুরুত্বারোপ
করা হয়েছে। যেমন, এরশাদ হচ্ছে :
﴿وَمَا أَرْسَلْنَا
مِنْ قَبْلِكَ مِنْ رَسُولٍ إِلاَّ نُوحِي إِلَيْهِ أَنَّهُ لا إِلَهَ إِلاَّ
أَنَا فَاعْبُدُونِ﴾
‘‘আপনার পূর্বে আমি যে রাসূলই প্রেরণ করেছি, তাকে এ আদেশই প্রেরণ করেছি যে, আমি ব্যতীত অন্য কোন উপাস্য নেই। সুতরাং আমারই এবাদত কর’’। [সূরা
আম্বিয়া : ২৫।]
৩/২.
রাসূল (সা:) তের বছরের মাক্কী জীবনে সম্প্রদায়কে একত্ববাদের প্রতি আহ্বান
জানিয়েছেন। আল্লাহ্ তা’য়ালা বলেন :
﴿قُلْ إِنِّي لَا
أَمْلِكُ لَكُمْ ضَرًّا وَلَا رَشَدًا﴾
‘হে নবী আপনি বলুন! আমি শধুমাত্র আমার রবকে ডাকি এবং
তাঁর সাথে অন্য কাউকে শরিক করি না।’ [সূরা জিন : ২০]।
৩/৩. নাবী কারমী (সা:) তাঁর সাহাবীগণকে সর্বপ্রথম মানুষকে
তাওহীদের প্রতি আহ্বান জানানোর শিক্ষা দেন। যেমন, মু’আয
(রা:) কে ইয়ামেনের গভর্ণর করে পাঠানোর সময় রাসূল (সা) বলেন :
عَنِ ابْنِ
عَبَّاسٍ ـ رضى الله عنهما ـ أَنَّ النَّبِيَّ (ﷺ) بَعَثَ مُعَاذًا ـ رضى الله عنه ـ إِلَى الْيَمَنِ فَقَالَ
" ادْعُهُمْ إِلَى شَهَادَةِ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ، وَأَنِّي
رَسُولُ اللَّهِ، فَإِنْ هُمْ أَطَاعُوا لِذَلِكَ فَأَعْلِمْهُمْ أَنَّ اللَّهَ
قَدِ افْتَرَضَ عَلَيْهِمْ خَمْسَ صَلَوَاتٍ فِي كُلِّ يَوْمٍ وَلَيْلَةٍ، فَإِنْ هُمْ
أَطَاعُوا لِذَلِكَ فَأَعْلِمْهُمْ أَنَّ اللَّهَ افْتَرَضَ عَلَيْهِمْ صَدَقَةً
فِي أَمْوَالِهِمْ، تُؤْخَذُ مِنْ أَغْنِيَائِهِمْ وَتُرَدُّ عَلَى فُقَرَائِهِمْ
ইবনু আব্বাস (রাযি) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) মু‘আয (রাঃ) কে (শাসকরূপে) ইয়ামান অভিমুখে
প্রেরণকালে বলেন, সেখানের অধিবাসীদেরকে আল্লাহ
ব্যতিত কোন ইলাহ নেই এবং আমি (মুহাম্মদ) (সাঃ) আল্লাহর রাসূল- এ কথার
সাক্ষ্যদানের দাওয়াত দিবে। যদি তারা এ কথা মেনে নেয়, তাহলে তাদেরকে জানিয়ে দিবে, আল্লাহ তাদের উপর প্রতি দিন ও রাতে পাঁছ ওয়াক্ত স্বলাত
ফরদ্ব করেছেন। তারা যদি এ কথা মেনে নেয়, তবে তাদেরকে জানিয়ে দিবে, আল্লাহ তাদের সম্পদের উপর সাদকা (যাকাত) ফরদ্ব করেছেন। তাদের
মধ্যকার (নিসাব পরিমাণ) সম্পদশালীদের নিকট থেকে (যাকাত) উসূল করে তাদের দরিদ্রদের
মধ্যে বিতরণ করে দেওয়া হবে। [সহীহ বুখারী ১৩১০ (ই. ফা), ১৩০৫ (আ. প্র), ১৪৫৮, ১৪৯৬, ২৪৪৮, ৪৩৪৭, ৭৩৭১, ৭৩৭২ (তা.পা)]।
০৪. ফজিলত, উপকারিতা ও তাৎপর্যঃ
মানুষের জীবনে তাওহীদ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যার উপর ইহকাল ও পরকালের কল্যাণ-অকল্যাণ, সফলতা-ব্যর্থতা নির্ভরশীল। তাওহীদের উপর অটল ও অবিচল
থাকা প্রত্যেক ব্যক্তির উপর ফরয। তাওহীদের অনেক উপকারিতা রয়েছে। নিম্নে কয়েকটি উপকারিতা তুলে ধরা হলো :
৪/১. হিদায়াত ও নিরাপত্তা লাভ। আল্লাহ্ তা’য়ালা ইরশাদ করেন :
﴿الَّذِينَ آَمَنُوا
وَلَمْ يَلْبِسُوا إِيمَانَهُمْ بِظُلْمٍ أُولَئِكَ لَهُمُ الْأَمْنُ وَهُمْ
مُهْتَدُونَ﴾
‘যারা ঈমান এনেছে এবং শিরকের সাথে মিলায়নি, তাদের জন্য রয়েছে নিরাপত্তা এবং তারাই হিদায়াত প্রাপ্ত। [সূরা আন’আম : ৮২]।
৪/২. আখেরাতে চিরস্থায়ী সুখ ও জান্নাত লাভ। রাসূল (সা:) বলেন :
عن عِتْبَانَ بنِ مالكٍ رضي الله عنه "قال، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : فَإِنَّ اللَّه
قَدْ حَرَّمَ عَلَى النَّارِ مَنْ قَالَ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ يَبْتَغِي
بِذَلِكَ وَجْهِ اللَّهِ
ইতবান ইবনে মালিক রা). থেকে বর্ণিত রাসূল (সা) বলেন :
‘যে ব্যক্তি আল্লাহর
সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে ‘লা-ইলাহা
ইল্লাল্লাহ্) বলবে তার জন্য আল্লাহ্ জাহান্নাম হারাম করে দিবেন। [সহীহ
বুখারী ৪২৫, সহীহ মুসলিম ৩৩]।
৪/৩. ক্ষমা লাভ। হাদীছে
কূদসীতে আল্লাহ্ তা’য়ালা
বলেন :
عَنْ أَنَسُ بْنُ مَالِكٍ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " قَالَ اللَّهُ يَا ابْنَ آدَمَ إِنَّكَ مَا دَعَوْتَنِي وَرَجَوْتَنِي غَفَرْتُ لَكَ عَلَى مَا كَانَ فِيكَ وَلاَ أُبَالِي يَا ابْنَ آدَمَ لَوْ بَلَغَتْ ذُنُوبُكَ عَنَانَ السَّمَاءِ ثُمَّ اسْتَغْفَرْتَنِي غَفَرْتُ لَكَ وَلاَ أُبَالِي يَا ابْنَ آدَمَ إِنَّكَ لَوْ أَتَيْتَنِي بِقُرَابِ الأَرْضِ خَطَايَا ثُمَّ لَقِيتَنِي لاَ تُشْرِكُ بِي شَيْئًا لأَتَيْتُكَ بِقُرَابِهَا مَغْفِرَةً " . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ
আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে আমি বলতে
শুনেছিঃ বারাকাতময় আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ হে আদম সন্তান! যতক্ষণ আমাকে তুমি ডাকতে থাকবে
এবং আমার হতে (ক্ষমা পাওয়ার) আশায় থাকবে, তোমার গুনাহ যত অধিক হোক, তোমাকে আমি ক্ষমা করব, এতে কোন পরওয়া করব না। হে আদম সন্তান! তোমার
গুনাহর পরিমাণ যদি আসমানের কিনারা বা মেঘমালা পর্যন্তও পৌছে যায়, তারপর তুমি আমার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা কর, আমি তোমাকে ক্ষমা করে দেব, এতে আমি পরওয়া করব না। হে আদম সন্তান! তুমি যদি
সম্পূর্ণ পৃথিবী পরিমাণ গুনাহ নিয়েও আমার নিকট আস এবং আমার সঙ্গে কাউকে অংশীদার
না করে থাক, তাহলে
তোমার কাছে আমিও পৃথিবী পূর্ণ ক্ষমা নিয়ে হাযির হব। [সহীহ তিরমিযী ৩৫৪০, সহীহঃ সহীহাহ ১২৭ ও ১২৮, রাওযুন নাযীর ৪৩২, মিশকাত তাহকীক সানী ২৩৩৬, তা’লীকুর রাগীব ২/২৬৮।
৪/৪.
জাহান্নাম থেকে মুক্তি লাভ। জাবের (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূল
(সাঃ) ইরশাদ করেছেন :
عَنْ جَابِرٍ
قَالَ : أَتَى النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَجُلٌ فَقَالَ : يَا
رَسُولَ اللَّهِ مَا الْمُوجِبَتَانِ ؟ فَقَالَ : مَنْ مَاتَ لَا يُشْرِكُ
بِاللَّهِ شَيْئًا دَخَلَ الْجَنَّةَ ، وَمَنْ مَاتَ يُشْرِكُ بِاللَّهِ شَيْئًا
دَخَلَ النَّارَ
যে আল্লাহর সাথে কোন প্রকার র্শিক করা ব্যতীত
(তাওহীদের উপর) মৃত্যুবরণ করবে, অবশ্যই
সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর যে শিরকের উপর মৃত্যুবরণ করবে, সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে। [সহীহ মুসলিম ৯৩]।
৫. তাওহীদের প্রয়োজনীয়তা ও উপসংহারঃ
দুনিয়ার সুখ, শান্তি ও পরকালীন মুক্তির একমাত্র সোপান হলো আক্বীদা সহীস
করা। তাই আসুন আমরা সকলেই আক্বীদা সহীস করার চেষ্ট করি। আল্লাহ
আমাদের সকলকে তাওফীক দান করুন, আমীন।

Excellent & Beautiful.
ReplyDelete